শিরোনাম: 
●   খ্যাতিমান ইংরেজ অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ●   ‘৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামানের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ●   বিখ্যাত সাহিত্যিক অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রায়নে গভীর শোকাহত আমরা ●   ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ও দার্শনিক মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ●   গোয়েন্দা কাহিনীর জনক মার্কিন সাহিত্যিক এডগার এ্যালান পো’র ২১০তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা ●   নবনাট্য আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক, সু-অভিনেতা বিজন ভট্টাচার্যের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ●   প্রখ্যাত নাট্যকার, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক মমতাজউদ্দীন আহমদের ৮৪তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা ●   ভারতীয় উপমহাদেশে মূকাভিনয় শিল্পে শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিত্ব পার্থ প্রতীম মজুমদারের ৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা ●   একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও গীতিকার আজিজুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা ●   উজিরপুরে সুবিধাবঞ্চিত অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
ঢাকা, রবিবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৯, ৭ মাঘ ১৪২৫
NEWS CHANNEL
প্রচ্ছদ » এই দিনে » গীতিকার এবং সুরকার সুধীন দাশগুপ্তের ৩৬তম মৃত্যূবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি
বৃহস্পতিবার ● ১০ জানুয়ারী ২০১৯, ০৭:০১ মিনিট
Email this News Print Friendly Version

গীতিকার এবং সুরকার সুধীন দাশগুপ্তের ৩৬তম মৃত্যূবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি


প্রখ্যাত গীতিকার এবং সুরকার সুধীন দাশগুপ্ত। সুধীন দাশগুপ্ত’র কথা এলেই মনে পড়ে যায় সেই বিখ্যাত গানগুলিঃ
১। “সেই গলিতেই ঢুকতে গিয়ে হোচট খেয়ে দেখি // বন্ধু সেজে বিপদ আমার দাঁড়িয়ে আছে একি! ” অথবা 
২। “জীবনে কি পাবনা // ভুলেছি সে ভাবনা // সামনে যা দেখি // জানিনা সে কি // আসল কি নকল সোনা! “
সুধীন দাশগুপ্তের সুরে সেরা ৫০টি আধুনিক গান
এই গানগুলির সুরকার এবং গীতিকার সুধীন দাশগুপ্ত। দুটি গানই কিন্তু আজও তুমুল জনপ্রিয়, এমনকি নতুন প্রজন্মের কাছে ও এদের বেশ একটা অন্য আকর্ষণ রয়ে গেছে। আসলে একই স্রষ্টার হাতে সুর আর কথার সঠিক যুগলবন্দী সম্ভবতঃ এক অন্য মাত্রা নেয়। বিশেষ করে বাংলা ভাষাতে – এই ভাষার শ্রেষ্ঠ গীতস্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ বোধহয় তাঁর পরবর্তী সংগীতকারদের এক নতুন পথ দেখিয়ে গেলেন যা অন্যদের থেকে আলাদা। তারপর সে পথে হাঁটলেন অনেকেই- দ্বিজেন্দ্রলাল, রজনীকান্ত, নজরুল, সলিল চৌধুরী থেকে শুরু করে আজকের সুমন, নচিকেতা প্রমুখ। সুধীন দাশগুপ্ত ও এই পথেরই এক অন্যতম পথিক, দুর্ভাগ্যের বিষয় গীতিকার রূপে আমাদের কাছে তিনি প্রায় অপরিচিতই। শুরুর গানটির মতই উপরে উল্লিখিত দুটি গানের ক্ষেত্রেও প্রশ্নোত্তর পর্বের ফলাফল একই। তাঁর একটি গানে সুধীন দাশগুপ্ত তাঁর পূর্বসুরী বিখ্যাত কবি বা গীতিকারদের মতই ‘যখন রবনা আমি মর্ত্যকায়ায়’ ভাবনাতে মগ্ন হয়েছেনঃ
“কতদিন আর এ জীবন // কত আর এ মধু লগন// তবুও তো পেয়েছি তোমায়// জানি ভুলে যাবে যে আমায়।”
না আমরা তাকে ভুলিনি। আজ গীতিকার এবং সুরকার সুধীন দাশগুপ্তের ৩৬তম মৃত্যূবার্ষিকী। ১৯৮২ সালের আজকের দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করনে। প্রখ্যাত গীতিকার এবং সুরকার সুধীন দাশগুপ্তের মৃত্যূবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।


গীতিকার এবং সুরকার সুধীন দাশগুপ্ত ১৯৩০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের যশোহর জেলার বড়কালিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মহেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত। তাঁর শৈশব কেটেছিল দার্জিলিং-এ। প্রধানত মায়ের প্রশ্রয়েই সুধীন্দ্রনাথের গানের জগতে পা রাখা। বাবা মহেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত মোটেই এ সব পছন্দ করতেন না। দার্জিলিং গভর্নমেন্ট স্কুলের শিক্ষক ছিলেন তিনি। সেখানে থাকাকালীনই ক্যাপটেন ক্লিভার, জর্জি ব্যাংকস, রবার্ট কোরিয়ার কাছ থেকে শেখেন পিয়ানো। লন্ডনের রয়্যাল স্কুল অব মিউজিক থেকে মিউজিক নিয়ে পড়াশোনা করেন। তখনকার দিনে ওয়েস্টার্ন মিউজিকে এমন ডিগ্রিধারীর সংখ্যা হাতেগোনা। যন্ত্রসঙ্গীতে অসামান্য প্রতিভাধর ছিলেন তিনি। সেতার, পিয়ানো তো ছিলই; বাঁশি, তবলা, এমনকী হার্পও ছিল সেই তালিকায়। সাধারণ হারমোনিয়মও যেন তাঁর আঙুলের ছোঁয়ায় প্রাণ ফিরে পেত। স্বভাবত অন্তর্মুখী ও স্বল্পবাক মানুষ ছিলেন সুধীন দাশগুপ্ত। আপাদমস্তক ভদ্রলোক। তাঁকে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলতে বা ক্রুদ্ধ হতে দেখেনি কখনও কেউ। দার্জিলিংবাসী ধনী পিতার সন্তানটি শুধু যে ঘরে বসে বেহালা-পিয়ানো-ম্যান্ডোলিনে স্বশিক্ষিত হয়ে উঠেছিলেন তা-ই নয়, র‍্যাকেট হাতে কোর্টও কাঁপাতেন। তিনবারের রাজ্য ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়ন! কিন্তু ভাগ্যিস তরুণ সুধীন কর্ক রেখে হাতে ছড় তুলে নিয়েছিলেন, নৈলে থৈ থৈ শাওন আর আসত কৈ? ছেলের সঙ্গীতে আগ্রহ দেখে পিতৃদেব পাঠিয়ে দিলেন লন্ডনের রয়াল মিউজিক স্কুলে। সেখান থেকে পোস্ট-গ্রাজুয়েশন করে সুধীন বম্বে নয়, নলিন সরকার স্ট্রিটের এইচ এম ভির দফতরে এসে গেলেন, কমল দাশগুপ্তের সাকরেদি নিয়ে। ভাগ্যিস এসেছিলেন, নৈলে শেষ বিচারের আশায় বসেই থাকতে হত । দাশগুপ্ত শুধু পাশ্চাত্য-সঙ্গীতের শিক্ষাই নয়। এনায়েত খানের কাছে সেতার শিক্ষা, রীতিমত ভাতখণ্ডে-চর্চা ভারতীয় মার্গ-সঙ্গীতে। দেশিবিদেশি লোকসঙ্গীতের অপার ভাণ্ডার তাঁর হেফাজতে ছিল, ছিল কীর্তনাঙ্গ গানও, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ‘শ্যামও আজ বদলে গেছে’ (সন্ধ্যা) বা ‘ও শ্যাম যখন তখন’ (আরতি)-র মত গানে। এমনকি ছোটদের জন্যেও ‘হিংসুটে দৈত্য’ বা ‘ছোটদের রামায়ণ’-এ’ কী অসাধারণ সুর দিয়ে গেছেন সুধীনবাবু! ব্যাডমিন্টনে ছিলেন চাম্পিয়ান। ব্যাডমিন্টন খেলার পাশাপাশি শৈশবে তিনি শিখেছিলেন পিয়ানো, মাউথ অর্গ্যান, সেতার ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র। লণ্ডনের রয়াল কলেজ অব মিউজিক থেকে তিনি মাস্টার ডিগ্রি লাভ করেছিলেন। আর সেঁতার শিখেছিলেন এনায়েৎ খাঁর রেকর্ড শুনে শুনে। ভাতখণ্ডেজির রাগসঙ্গীত বিষয়ক গ্রন্থ অনুসরণে ভারতীয় রাগসঙ্গীতের চর্চা করেছিলেন কিছুদিন। এছাড়া তাঁর কাছে ছিল বাংলা লোকগানের বিশাল ভাণ্ডার। ১৯৫৩ সালে তাঁর সুরারোপিত প্রথম রেকর্ড প্রকাশিত হয়। শিল্পী ছিলেন বেচুদত্ত। ১৯৫৩ সালে তিনি প্রথম চলচিত্রের সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এই ছবির নাম ছিল ‘উল্কা’। সুররচনার পাশাপাশি তিনি গানও রচনা করেছেন। তাঁর এত সুর আর এত গান থামবেনা, আমরাও ভুলবনা তাঁকে। তবুও আজকের প্রজন্মের কাছে সুরকার সুধীন দাশগুপ্তর স্মৃতি কিন্তু ভীষণভাবে অম্লান। “এত সুর আর এত গান, // যদি কোন দিন থেমে যায় // সেই দিন তুমি ও তো ওগো // জানি ভুলে যাবে যে আমায় -” সত্যিকি আমরা তাকে ভুলে গেছি? 


স্বনামে খ্যাত অনেক শিল্পীরা গেয়েছেন সুধীন দাশগুপ্তের সুরে। একটা-দু’টো হিট গানের নাম করলেই তালিকা দীর্ঘ হয়ে পড়বেঃ নামী হেমন্ত (‘নীল…নীল…সবুজের ছোঁয়া কিনা’), সতীনাথ (‘এলো বরষা যে সহসা’), শ্যামল (‘কী নামে ডেকে’), সন্ধ্যা (‘ও কথা বলবো না’), লতা (‘আজ মন চেয়েছে’), আশা (‘ডেকে ডেকে চলে গেছি’), গীতা (‘একটু চাওয়া একটু পাওয়া’), প্রতিমা (‘একটা গান লিখো আমার জন্য’), সুবীর (‘এতো সুর আর এতো গান’) থেকে কম-প্রতিষ্ঠা পাওয়া শ্যামশ্রী মজু (‘টিয়া টিয়া টিয়া’) বা, সুজাতা মুখো (‘ললিতা সখী গো’) … কে নয়? আর নারীকণ্ঠে আরতি ও পুং কণ্ঠে মান্না দে তো ছিলেন সুধীনের সঙ্গে বেজোড় জোড়! কত কত যে হিট গান এঁদের! আর গীতিকার? পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়-সুধীন দাশগুপ্ত ছিলেন অভিন্নহৃদয় সুহৃদ। বহু বহু গানের গীতিকার উনিই। মান্না-সুধীন-পুলক ছিলেন চমৎকার জুটি। তাছাড়াও প্রেমেন্দ্র মিত্রের লেখা ‘সাগর থেকে ফেরা’। যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত (‘থৈ থৈ শাওন এলো ঐ’), যতীন্দ্রমোহন বাগচি (‘বাঁশবাগানের মাথার ওপর’)ও লিখেছেন অনবদ্য গান। আর স্বয়ং তারাশঙ্করই না লিখে দিয়েছিলেন সেই শেষবিচারের আশাভরা গানটি, মান্নাবাবু যেটি আসরে গাইতে শুরু করলেই রাধাকান্ত নন্দী তবলা থামিয়ে রুমাল দিয়ে চোখ মুছতেন?
যদিও গানের কথায় তাঁর এই আশংকা – কিন্তু গায়ক সুবীর সেনের স্মৃতিচারণ থেকে আমরা জানতে পারি তাঁর আশা ছিল এই গান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে, সে আশা সত্যি প্রমানিত হয়েছে।। সুরকার সুধীন দাশগুপ্ত বাংলা গানের সুরের আকাশে সত্যিই একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে আছেন। ১৯৮২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করনে। আজ গীতিকার এবং সুরকার সুধীন দাশগুপ্তের ৩৬তম মৃত্যূবার্ষিকী। প্রখ্যাত গীতিকার এবং সুরকার সুধীন দাশগুপ্তের মৃত্যূবার্ষিকীতে আমাদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। 

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
nuru.etv.news@gmail.com


বাঙালি লেখক, সংগীতস্রষ্টা ও ভাষাবিদ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৯৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

১০ জানুয়ারি, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ


আরো পড়ুন...

খ্যাতিমান ইংরেজ অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি খ্যাতিমান ইংরেজ অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি
‘৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামানের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ‘৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামানের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি
বিখ্যাত সাহিত্যিক অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রায়নে গভীর শোকাহত আমরা বিখ্যাত সাহিত্যিক অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রায়নে গভীর শোকাহত আমরা
ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ও দার্শনিক মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ও দার্শনিক মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি
গোয়েন্দা কাহিনীর জনক মার্কিন সাহিত্যিক এডগার এ্যালান পো’র ২১০তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা গোয়েন্দা কাহিনীর জনক মার্কিন সাহিত্যিক এডগার এ্যালান পো’র ২১০তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা
নবনাট্য আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক, সু-অভিনেতা বিজন ভট্টাচার্যের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নবনাট্য আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক, সু-অভিনেতা বিজন ভট্টাচার্যের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি
প্রখ্যাত নাট্যকার, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক মমতাজউদ্দীন আহমদের ৮৪তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রখ্যাত নাট্যকার, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক মমতাজউদ্দীন আহমদের ৮৪তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা
ভারতীয় উপমহাদেশে মূকাভিনয় শিল্পে শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিত্ব পার্থ প্রতীম মজুমদারের ৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা ভারতীয় উপমহাদেশে মূকাভিনয় শিল্পে শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিত্ব পার্থ প্রতীম মজুমদারের ৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও গীতিকার আজিজুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও গীতিকার আজিজুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা
উজিরপুরে সুবিধাবঞ্চিত অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ উজিরপুরে সুবিধাবঞ্চিত অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
খ্যাতিমান ইংরেজ অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি
‘৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামানের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি
বিখ্যাত সাহিত্যিক অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রায়নে গভীর শোকাহত আমরা
ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ও দার্শনিক মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি
গোয়েন্দা কাহিনীর জনক মার্কিন সাহিত্যিক এডগার এ্যালান পো’র ২১০তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা
নবনাট্য আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক, সু-অভিনেতা বিজন ভট্টাচার্যের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি
প্রখ্যাত নাট্যকার, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক মমতাজউদ্দীন আহমদের ৮৪তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা
ভারতীয় উপমহাদেশে মূকাভিনয় শিল্পে শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিত্ব পার্থ প্রতীম মজুমদারের ৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও গীতিকার আজিজুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা
মুষ্ঠিযুদ্ধের কিংবদন্তি, সর্বকালের সেরা মুষ্ঠিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর ৭৭তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা